হেবরনে ইসরায়েলি বাহিনীর বাড়ি ধ্বংস অভিযান, মন্ত্রীদের হুমকি - আলোকিত চোখ
ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হেবরনে ইসরায়েলি বাহিনীর বাড়ি ধ্বংস অভিযান, মন্ত্রীদের হুমকি

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 11
Spread the love

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইসরায়েলি বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। হামলার স্থান ও আশপাশের এলাকায় ভারী বুলডোজার দিয়ে একের পর এক বাড়িঘর ও স্থাপনা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ভাঙচুর শুরুর আগে বাসিন্দাদের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল।

সাধারণত এ ধরনের ঘটনায় আইনি পরোয়ানা ও আপিলের সুযোগ দেওয়া হলেও এবার সেই প্রক্রিয়া মানা হয়নি। দ্রুততার সঙ্গে জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।

ইসরায়েলি মন্ত্রীদের কঠোর বক্তব্য

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রীরা আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে পুরোপুরি বিলুপ্ত করার কথা বলেছেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ এসব ভাঙচুরকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও বাস্তবে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি নির্মাণের অনুমোদন ইসরায়েল সরকার প্রায় কখনোই দেয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্বাচনী রাজনীতির প্রভাব?

বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগাচ্ছেন। সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োগ ও ঘরবাড়ি ধ্বংসের মাধ্যমে তারা নিজেদের ভোটারদের কাছে কঠোর শাসক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।

সূত্র: আল-জাজিরা

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

হেবরনে ইসরায়েলি বাহিনীর বাড়ি ধ্বংস অভিযান, মন্ত্রীদের হুমকি

Update Time : ০৫:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইসরায়েলি বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। হামলার স্থান ও আশপাশের এলাকায় ভারী বুলডোজার দিয়ে একের পর এক বাড়িঘর ও স্থাপনা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ভাঙচুর শুরুর আগে বাসিন্দাদের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল।

সাধারণত এ ধরনের ঘটনায় আইনি পরোয়ানা ও আপিলের সুযোগ দেওয়া হলেও এবার সেই প্রক্রিয়া মানা হয়নি। দ্রুততার সঙ্গে জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।

ইসরায়েলি মন্ত্রীদের কঠোর বক্তব্য

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রীরা আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে পুরোপুরি বিলুপ্ত করার কথা বলেছেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ এসব ভাঙচুরকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও বাস্তবে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি নির্মাণের অনুমোদন ইসরায়েল সরকার প্রায় কখনোই দেয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্বাচনী রাজনীতির প্রভাব?

বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগাচ্ছেন। সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োগ ও ঘরবাড়ি ধ্বংসের মাধ্যমে তারা নিজেদের ভোটারদের কাছে কঠোর শাসক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।

সূত্র: আল-জাজিরা