টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সচেতনতা প্রয়োজন
- Update Time : ১২:৪৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
- / 2
বেসরকারি পরিবেশবাদী গবেষণা সংস্থা ‘এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (ইএসডিও) সম্প্রতি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ওপর গবেষণা চালিয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাজারের ৭৬.৫% টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে, যা মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে।
মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা, যার আকার সাধারণত ৫ মিলিমিটারের (০.২ ইঞ্চি) চেয়ে কম। এগুলো পরিবেশ ও মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। মাইক্রোপ্লাস্টিককে প্রধানত প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক দুই ভাগে ভাগ করা যায়। প্রাথমিক মাইক্রোপ্লাস্টিক বিভিন্ন পণ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়, আর মাধ্যমিক মাইক্রোপ্লাস্টিক বড় প্লাস্টিক বর্জ্য ভেঙে তৈরি হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি মূলত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ইচ্ছাকৃত ব্যবহার এবং পণ্যের ওজন কমানোর প্রবণতার কারণে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের (বিএসটিআই) উপ-পরিচালক মনজুরুল করিম জানিয়েছেন, টুথপেস্ট তৈরির জন্য অনুমোদিত ৪০টি উপাদানের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তবে এতে মাইক্রোপ্লাস্টিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক খাদ্য ও পানীয়, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং ত্বকের সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। এই কণাগুলো শরীরের হরমোন নিঃসরণে বাধা দিতে পারে এবং কোষের ক্ষতি করে। তাই টুথপেস্টে নিরাপদ প্রাকৃতিক খনিজ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।



















