রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ: রাকসু জিএসের বক্তব্য - আলোকিত চোখ
ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ: রাকসু জিএসের বক্তব্য

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • / 0
Spread the love

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নারীঘটিত একটি অভিযোগের প্রেক্ষাপটে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন, ‘আমরা মাইর খাইনি, মাইর দিয়েছি।’

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর, রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এলাকায় সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সংস্কৃত বিভাগের এক ছাত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। অভিযুক্ত পক্ষের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করেন।

সোমবার দুপুরে আবার বৈঠক ডাকা হলে রাকসুর নেতারা আনাসকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী বলে অভিযোগ করেন। এর পর প্রক্টর দপ্তরে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আনাস বলেন, ‘প্রক্টর দপ্তরে আমাকে মারধর করা হয়। আমি ছাত্রলীগের কর্মী নই।’ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, ‘এ ঘটনায় ছাত্রশিবিরের কেউ জড়িত ছিল না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘তথ্য যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ: রাকসু জিএসের বক্তব্য

Update Time : ০৩:৫১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
Spread the love

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নারীঘটিত একটি অভিযোগের প্রেক্ষাপটে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন, ‘আমরা মাইর খাইনি, মাইর দিয়েছি।’

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর, রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এলাকায় সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সংস্কৃত বিভাগের এক ছাত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। অভিযুক্ত পক্ষের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করেন।

সোমবার দুপুরে আবার বৈঠক ডাকা হলে রাকসুর নেতারা আনাসকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী বলে অভিযোগ করেন। এর পর প্রক্টর দপ্তরে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আনাস বলেন, ‘প্রক্টর দপ্তরে আমাকে মারধর করা হয়। আমি ছাত্রলীগের কর্মী নই।’ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, ‘এ ঘটনায় ছাত্রশিবিরের কেউ জড়িত ছিল না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘তথ্য যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’